Header Border

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫শে এপ্রিল, ২০২৪ ইং | ১২ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ (গ্রীষ্মকাল) ৩৩.৯৬°সে
শিরোনাম
সিরাজগঞ্জ/ আমাদের বাংলা সাহিত্যের বিশাল ভান্ডার আছে- হেনরী সিরাজগঞ্জ/ স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় যুবক গ্রেফতার সিরাজগঞ্জে পুলিশের উপর হামলা, মদ ও অস্ত্রসহ আওয়ামীলীগ নেতার স্ত্রী আটক সিরাজগঞ্জ পৌর যুবলীগকে ঢেলে সাজাতে আহবায়ক হতে চান যুবনেতা আবু মুসা ঈদের আগের দিনেই ফাঁকা বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়ক ঈদযাত্রা/ ২৪ ঘন্টায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় ৩ কোটি নাড়ীর টানে ঘরমুখো মানুষের স্বস্তির ঈদযাত্রা সিরাজগঞ্জ/ ট্রাক-পিকআপে ঝুকি নিয়ে বাড়ি আসছে স্বপ্ল-আয়ের মানুষ সিরাজগঞ্জ/ ঈদযাত্রায় মহাসড়কে খুলে দেওয়া হলো ৩ ওভারপাস এক সেতু সিরাজগঞ্জে চোর চক্রের ৪ সদস্য আটক, চুরির মালামাল উদ্ধার 

টানা বৃষ্টিতে ভাসছে ধান, ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন

জেলা প্রতিনিধি,সিরাজগঞ্জ:

টানা বৃষ্টিতে ভাসছে ধান, ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন
টানা বৃষ্টিতে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় ফসলের মাঠগুলোতে পানি জমে পাকা ধান নষ্ট হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কৃষকের। প্রবল বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়া ধান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন উপজেলার কৃষকরা। ফসল রক্ষায় অতিরিক্ত অর্থ খরচ করেও এই বৃষ্টিতে মিলছে না ধান কাটা শ্রমিক। ফলে ক্ষেতেই পচে যাচ্ছে ধান।

সরেজমিনে, উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের গুড়পিপুল, আড়ংগাইল, মাধাইনগর ইউনিয়নের ভাদাস, সেরাজপু, মালশিন, গুড়মা, তাড়াশ পৌর এলাকার কোহিত, আসানবাড়ি, বারুহাস ইউনিয়নের বিনসাড়া, বস্তুুলসহ বিভিন্ন গ্রামের ফসলি মাঠে বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে ধান। অনেক ক্ষেতে ধান পচে গিয়ে চারা বের হয়ে গেছে।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর এক বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করতে সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। বর্তমানে শ্রমিক খরচ আরও প্রায় সাত হাজার টাকা বেড়ে নয় হাজারে ঠেঁকছে।

তাদের অভিযোগ অপরিকল্পিতভাবে ব্রিজ-কালভাটের, বন্ধ খাল-নালা বন্ধ করে দেওয়ার ফলে পানি নিস্কাশন হয় না। তাই বৃষ্টি হলে পানি নিস্কাশনের বাধাগ্রস্ত হয়। এতে করে ফসলি মাঠগুলো ডুবে কৃষকের সর্বনাশ হচ্ছে প্রতিবছর।

বারুহাস ইউনিয়নের বিনসাড়া গ্রামের শিক্ষক আজাদ সাহেব বলেন, কৃষকের পাকা ধান পানির নিচে হাবুডুবু খাচ্ছে, শ্রমিকের সাথে অর্ধেক ভাগেও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। অবিরাম বৃষ্টি, কৃষকদের সর্বনাশ, কিছু নেতার কপালে আসলো পৌষ মাস।

তিনি আরও জানান, পাবনা অঞ্চল থেকে কৃষি শ্রমিকেরা তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন গৃহস্থের বাড়ি থেকে ধান কাটতেন কিন্ত এবছর তারা অজ্ঞাত কারণে এখনও অধিকাংশ গৃহস্তের বাড়িতে আসেননি। তাই শ্রমিক সংকট দেখা দেয়ার কারণও এটি।

তাড়াশ পৌর সদরের কৃষি শ্রমিক মহির উদ্দিন বলেন, ‘হঠাৎ বৃষ্টি হওয়ায় মাঠের ধানগুলো পানিতে ডুবে গেছে। এখন প্রতি বিঘা জমিতে চার থেকে পাঁচজন শ্রমিক বেশি লাগবে। আগে যেখানে এক বিঘা জমিতে খরচ হতো তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকা। সেখানে এখন অতিরিক্ত খরচসহ প্রায় সাত হাজার থেকে নয় হাজার টাকা। শুধু তাই কিছু এলাকায় অর্ধেক জমিওয়ালার অর্ধেক শ্রমিকের তবুও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এখন তো বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করার মতো শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লুৎফুন নাহার লুনা বলেন, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ হাজার ৩১৫ হেক্টর। কিন্ত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অর্জিত হয়েছে ২২ হাজার ৩৬০ হেক্টর।

তিনি আরও বলেন, চলতি বোরো মৌসুমের শুরু থেকে কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীসহ সকল স্তরের কর্মকর্তারা কৃষকদের নানা দিক নির্দেশনা দিয়ে কৃষকদের উৎসাহিত করেছেন। মাঠের শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটা নিয়ে কৃষকরা একটু সমস্যায় পড়েছেন।

এইচএমএ/এসবাংলা

SHARE

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে দীর্ঘসূত্রিতা লজ্জা দায়িত্বহীনতা এবং পক্ষপাতিত্বের ঈঙ্গিত বহন করে
বাংলাদেশে বিনিয়োগে যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ীদের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
 নতুন আইজিপি কে হচ্ছেন
হু হু করে বাড়ছে চালের দাম
জুনে সড়কে মোটরসাইকেলে বেশি দুর্ঘটনা
মহাসড়কে ঈদে মহাআতঙ্ক মোটরসাইকেল

আরও খবর

Android App