Header Border

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ইং | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল) ২৪.৯৬°সে

বাজারে নিত্যপণের দাম বেড়েছে

অনলাইন ডেস্ক :

বাজারে নিত্যপণের দাম বাড়তি শসা ও বেগুনের। কমেছে ডিম ও মুরগির। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম। শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে। বাজারে সবজির দাম কম থাকলেও বেশি দামে এখনও বিক্রি হচ্ছে বেগুন ও শসা।

এসব বাজারে শসা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা আর গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, করলা ১৪০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৪০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, শালগম ৪০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বটবটির কেজি ৮০ টাকা, সাজনার কেজি ১৪০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৬০ টাকা মটরশুটির কেজি ১২০ টাকা। ১১ নম্বর বাজারের সবজি বিক্রেতা আল-আমিন বলেন, বাজারে সবজির আমদানি কম থাকায় দাম বাড়ছে-কমছে। এখনও দাম বাড়তি আছে শসা ও বেগুনের।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা।

এ সব বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। পেঁয়াজও আগের দামে বিক্রি হচ্ছে। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি।

বাজারে চায়না রসুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। দেশি আদার কেজি ৮০ টাকা। চায়না আদার দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

এসব বাজারে ভোজ্যতেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা। দুই কেজির তেলের বোতল বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ টাকায়। বাজারে বেড়েছে চিনির দাম। প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৪ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়।

কমেছে ডিমের দাম। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকা। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায়। দেশি মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা।

১১ নম্বর বাজারের ডিম বিক্রেতা মো. আজাদ বলেন, চাহিদা কম থাকায় ডিমের দাম কমেছে। রোজায় মানুষ ডিম কম খায়। বাজারে কমেছে গরুর মাংসের দাম। গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৬৮০ টাকা। খাসির মাংসের কেজি ৯০০ টাকা।

বাজারে কমেছে মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা। সাতদিন আগেও বিক্রি হয়েছিল ৩০০ টাকা কেজি। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকায়।

১১ নম্বর বাজারের মুরগি বিক্রেতা কোরবান আলী বলেন, বাজারে সিন্ডিকেটের কারণে মুরগির দাম বাড়ছে-কমছে। গতকাল পহেলা বৈশাখ থাকায় মুরগির দাম বাড়তি ছিল বাজারে। আজকে শুক্রবার মুরগির দাম কম। শুধু লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে।

এস আর/এসবাংলা

SHARE

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে দীর্ঘসূত্রিতা লজ্জা দায়িত্বহীনতা এবং পক্ষপাতিত্বের ঈঙ্গিত বহন করে
বাংলাদেশে বিনিয়োগে যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ীদের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
 নতুন আইজিপি কে হচ্ছেন
হু হু করে বাড়ছে চালের দাম
জুনে সড়কে মোটরসাইকেলে বেশি দুর্ঘটনা
মহাসড়কে ঈদে মহাআতঙ্ক মোটরসাইকেল

আরও খবর

Android App